আমাদের শরীরে কোনো ভিটামিন বা খনিজের ঘাটতি দেখা দিলে সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এসব সাপ্লিমেন্ট শুধু খাওয়াই হয় না, আরো কয়েকভাবেও ব্যবহার করা যায়। তবে খনিজসমৃদ্ধ তেল ত্বকে মালিশ করলে কি কোনো লাভ হয়? সব খনিজের ক্ষেত্রে তা না হলেও বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারে ম্যাগনেশিয়াম অয়েল।
আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান হচ্ছে ম্যাগনেশিয়াম।
পেশি সংকোচন, স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতা, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখা এবং প্রোটিন সংশ্লেষে ম্যাগনেসিয়ামের ভূমিকা অপরিসীম। আর নিয়মিত ম্যাগনেশিয়াম তেল মালিশ করলেও পাবেন অনেক উপকার। কী সেব উপকার, জেনে নিন—
ম্যাগনেশিয়াম অয়েল ত্বকের মাধ্যমে খুব দ্রুত শোষিত হয়। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় ম্যাগনেশিয়াম অয়েল মালিশ করলে তা সরাসরি রক্ত প্রবাহে প্রবেশ করে।
ফলে শরীরের প্রয়োজনীয় অংশে ম্যাগনেশিয়াম দ্রুত পৌঁছায় এবং কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।
ম্যাগনেশিয়াম স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে এবং মেলাটোনিন নামক ঘুমের হরমোন উৎপাদনে সাহায্য করে। পায়ের তলায় ম্যাগনেশিয়াম অয়েল মালিশ করলে তা শরীরকে শিথিল করে এবং গভীর ঘুমে সাহায্য করে।
ম্যাগনেশিয়াম তেল মালিশ করলে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকর এই তেল।
ম্যাগনেশিয়াম পেশি সংকোচন ও প্রসারণের জন্য অপরিহার্য। এর অভাবে পেশির ব্যথা, খিঁচুনি ও ক্র্যাম্প হতে পারে। খেলাধুলা বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের পর পেশিতে টান ধরা বা ব্যথা অনুভব করলে পায়ের তলায় ম্যাগনেশিয়াম অয়েল মালিশ করতে পারেন। এতে দ্রুত আরাম পাবেন।
ম্যাগনেশিয়াম অয়েল স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমে।
বর্তমানে অল্প বয়স থেকেই চুল পড়ার সমস্যাটা বেশি দেখা যাচ্ছে। যার সমাধানেও ম্যাগনেশিয়াম অয়েল কার্যকরী। পায়ে এই তেল মালিশ করলে নতুন চুলও গজাবে।
দিন-রাত কোনো কিছু খাওয়ার পরই যদি সুইট ক্রেভিং হয় তাহলেও সমাধান দিতে পারে ম্যাগনেশিয়াম তেল। কয়েক দিন রাতে এই তেল মালিশ করলেই মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে।



































