ময়মনসিংহের দুই উপজেলায় ডোবার পানিতে ডুবে তিন শিশু ও সাপের কামড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার সকালে সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নে দুই শিশু এবং ভালুকা উপজেলার মরচী গ্রামের এক শিশু ও একই উপজেলার পাড়াগাঁও গ্রামে যুবক নিহতের ঘটনা ঘটে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ।
নিহতরা হলো- সদর উপজেলার কাউয়ালটি নামাপাড়া গ্রামের আরিফ রব্বানীর ছেলে মো. হোসাইন (৫) এবং একই গ্রামের আসাদুজ্জামানের ছেলে রেজোয়ান হোসেন (৬)।
ভালুকা উপজেলার নিহতরা হলেন- মরচী গ্রামের হাফিজুল ইসলামের মেয়ে মীম আক্তার (৭) এবং পাড়াগাঁও গ্রামের মো. আবুল হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম তুষার (২৫)।
কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই সাদ্দাম হোসেন বলেন, শনিবার দুপুর থেকে কাউয়ালটি গ্রামের হোসাইন ও রেজোয়ানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাদের আর পাওয়া যায়নি। সকালে বাড়ির পাশে ডোবার পাড়ে জুতা পড়ে থাকতে দেখে তাদের লাশ উদ্ধার করেন স্বজনরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
এসআই সাদ্দাম বলেন, ওই দুই শিশুকে হত্যা করা হয়েছে না-কি পানিতে ডুবে মারা গেছে; তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ বলা যাবে।
ভালুকায় সাপের কামড়ে নিহত তুষারের চাচাতো ভাই সাংবাদিক আওলাদ রুবেল বলেন, ঘটনার সময় তুষার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছিলেন। এ সময় দোকানের ক্যাশ বাক্সের নিচ থেকে একটি বিষধর সাপ বেরিয়ে তার ডান পায়ে ছোবল দেয়।
তাৎক্ষণিক তুষার সাপটি দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে ডেকে বিষয়টি জানান। পরে তাকে প্রাইভেটকারে করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সকাল ১০টায় জানাজার নামাজ শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে বলে জানান সাংবাদিক রুবেল।
এদিকে উথুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া বলেন, শনিবার দুপুর থেকে মরচী গ্রামের মীমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সম্ভাব্য সব জায়গায় সন্ধান করেও তাকে আর পাওয়া যায়নি।
সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের ডোবার পাড়ে জুতা দেখে সেখানে তল্লাশি করে মীমের মৃতদেহ পাওয়া যায় বলে জানান তিনি।
































