ফাস্ট বোলিংয়ের মতো ভীতিকর আর কিছু নেই
মনে মনে উত্তেজনায় ফেটে পড়ছিলেন কোরি রিচার্ডস। দ্রুত রান তুলতে তাঁকে আগে নামানো হবে। সে জন্য বেশি দেরি করতে হলো না। নিউ সাউথ ওয়েলস ওপেনার ক্রেগ সিমন্স বোল্ড হতেই তিনে নামলেন। ক্রিজে গিয়েই বুঝলেন কিসের মুখোমুখি হতে হবে। অন্য প্রান্তের সতীর্থ, অস্ট্রেলিয়ান টেস্ট ওপেনার ফিল জ্যাকস তাঁকে সাবধান করেছেন, ‘গতি অনেক বেশি।’
রিচার্ডস ভাবলেন কতই–বা আর হবে! পাত্তা দিলেন না। একটু পর অবশ্য দিতে হলো। খাটো লেংথ থেকে উঠে আসা বলে মাথাটা সরাতে গিয়ে বুঝলেন দেরি হয়ে গেছে। ভাগ্যিস, বলটা সুইং করে বেরিয়ে গেছে, নইলে! তবে বেশিক্ষণ দুশ্চিন্তা করতে হলো না। রিচার্ডস একটু পরই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট। মাথু ফিলিপস, ব্র্যাড হাডিন, জ্যাকস নিজেও বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না।
সেই স্পেল নিয়ে জ্যাকস পরে (লেখককে) বলেছিলেন, ‘আমার মুখোমুখি হওয়া সবচেয়ে গতিময় স্পেল। শোয়েব আখতার ও ডেল স্টেইনকে খেলেছি। কিন্তু ওটা অন্য পর্যায়ের ছিল। অন্য মাত্রার গতি।’
জ্যাকস যে বোলারের বিষয়ে বলছিলেন তাঁর নাম শন টেইট। সেদিন পাঁচ স্পেলে ১০ ওভারে ৪১ রানে (১৪টি ওয়াইড) ৬ উইকেট নেন।
ওটা সিম বোলিং ছিল না। ওটা ছিল শুধু গতি, গতি এবং আরও গতি।



































