কয়েক দিন ধরে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। গতকাল সকালে সর্বত্র তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। ধর্মেন্দ্রর মেয়ে এষা দেওল ও স্ত্রী হেমা মালিনী এক পোস্টের মাধ্যমে কিংবদন্তি এই অভিনেতার মৃত্যুর গুজবের ইতি টেনেছিলেন। তাঁরা জানিয়েছিলেন যে ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আজ সকালে তাঁকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সকাল সাড়ে ৭টা
ধর্মেন্দ্রকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি জুহুতে তাঁর বাংলোয় ফিরে এসেছেন। বর্তমানে বাড়িতে তাঁর চিকিৎসা চলবে বলে রিপোর্টে জানা গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ধর্মেন্দ্রজি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন এবং এখন বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা ও বিশ্রাম চলবে। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, এ সময়ে মিডিয়া ও জনসাধারণ যেন কোনো রকম অনুমান বা গুজব না ছড়ান এবং তাঁর ও পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষা করেন’।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ধর্মেন্দ্রজির প্রতি আপনাদের ভালোবাসা, প্রার্থনা ও শুভকামনার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তাঁর দ্রুত আরোগ্য, ভালো স্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবনের জন্য আপনারা যেভাবে পাশে থেকেছেন, তা অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। দয়া করে তাঁকে শ্রদ্ধা করুন। কারণ, তিনিও আপনাদের ভালোবাসেন।’
গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকেই ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল সর্বত্র। আজ তক, ইন্ডিয়া টুডে, ইকোনমিকস টাইমসসহ একাধিক গণমাধ্যম তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছিল। এমনকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং, লেখক-চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার, কে কে মেনন, চিরঞ্জীবীসহ অনেক চলচ্চিত্র তারকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। তবে ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর মেয়ে এষা দেওল এক্স হ্যান্ডলে এক পোস্টের মাধ্যমে জানান যে অভিনেতার মৃত্যুর খবরটি গুজব। আর ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। এষার এই পোস্টের পর অনেকে তাঁদের লেখা মুছে ফেলেছেন।



































